বিনোদন

“মাইক বাজিয়ে কেন আজান দেন ওঁরা?”, – রমজান মাসে মুসলিমদের আজান দেওয়া প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য ছুঁড়ে দিলেন অনুরাধা পোড়ওয়াল

চলছে রমজান মাস। মুসলিম সম্প্রদায়ের ইদল ফেতর উৎসবকে কেন্দ্র করে এক মাস যাবত এই রমজান মাস পালন হয়ে থাকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে। এবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সেই আজান দেওয়া প্রসঙ্গে বিস্ফোরক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাধা পোড়ওয়াল। তাঁর মতে, লাউডস্পিকারে মাধ্যমে এভাবে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার রীতি বদল হওয়া উচিত আমাদের দেশে। তিনি অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষদের প্রতি দাবি করেছেন, সবার প্রশ্ন করা উচিত এই বিষয়ে , “যে কেনো মাইক বাজিয়ে তারস্বরে এভাবে আজান দেন ওনারা? ”

আরও পড়ুন: বঙ্কিমচন্দ্রের মৃত্যুবার্ষিকীতে পর্দায় আসতে চলেছে বড়ো চমক! কেভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদের লেখনীতে ‘আনন্দমঠ’ – এর অনুকরণে হিন্দি ছবি , ‘ ১৭৭০- এক সংগ্রাম’

আজান দেওয়া সম্পর্কে একবার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন, গায়ক সোনু নিগম। ২০১৭ সালে তিনি মাইকে আজান দেওয়াকে ঘিরে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তার ফলস্বরূপ পরবর্তীতে তাঁকে মাথা ন্যাড়া পর্যন্ত হতে হয়েছিল।কিন্তু তিনি এত বিতর্ক জড়ানোর পরেও কোনোভাবেই নিজের সিদ্ধান্ত বা মতামত থেকে সরে যাননি। এই মতামত সম্পর্কে তিনি অত্যন্ত দৃড় ছিলেন। একইভাবে এবার রমজান মাসের আজান প্রসঙ্গে বিতর্কে জড়ালেন, অনুরাধা।

গায়িকা আরও জানিয়েছেন, ভারতে এমন উচ্চস্বরে মাইক দিয়ে আজান দেওয়ার রীতি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেছেন, বিশ্বের কোনো দেশেই এই রীতিকে মান্যতা দেওয়া হয়না। একমাত্র আমাদের দেশ ব্যতীত অন্য কোথাও এই রীতির প্রচলন নেই। তিনি কোনোভাবেই কোনো ধর্মের বিপক্ষে নন কিন্তু এইভাবে লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার রীতিকে তিনি মোটেই মান্যতা দিতে চাননা। অন্যান্য ধর্মের মানুষদের ভারতে প্রশ্ন তোলা উচিত এইভাবে আজান দেওয়া প্রসঙ্গে। আর অন্য কোনো ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের সময় এইভাবে মাইকের মাধ্যমে ভগবান উপসনার রীতি প্রচলিত নেই। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন তাহলে আমাদের ভারতে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই রীতির অবিলম্বে তোলা উচিত নইলে অন্যান্য সম্প্রদায়ের এই বিষয়ে একজোট হয়ে প্রতিবাদ করা উচিত।

আরও পড়ুন: পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় এর আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’ – গল্প শোনাবে এক ভিন্ন মাত্রার রাজনীতির!

তিনি তারপরেও দাবি তুলেছেন, মুসলিম অধ্যুষিত দেশ গুলোর সাথে সাথে মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলিতেও এইভাবে লাউডস্পিকারে আজান দেওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়না। ভারতের ক্ষেত্রেও তাই নিয়ম করা উচিত। আর নচেৎ হনুমান চালিশাও এইভাবে জোরে বাজানোর রীতি আসুক। এইভাবেই গায়িকা দেশের মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের এইভাবে আজান দেওয়ার রীতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। যদিও বিরোধীরা তাঁকে নানা ভাবে কটাক্ষ করলেও তিনি তাঁর কথার স্বপক্ষে সমস্ত যুক্তি খাড়া করেছেন। তিনি কোনো একটি বিশেষ ধর্মের বিরোধিতা মোটেই করেননি কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায়ের এইভাবে তারস্বরে চিৎকার করে শান্তি বিঘ্নিত করে আজান দেওয়ার রীতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন।

Related Articles

Back to top button